বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃত
বাংলাদেশের ইতিহাস অনেক আগে থেকেই বিকৃত হওয়া শুরু হয়েছে । বর্তমান সরকারের আমলে তা চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে । সামনে ১৭ ই মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন । সেদিনও আলোচনা সভায় সবাই বলবে শেখ মুজিব,আওয়ামী লীগ,শেখ হাসিনার কথা । আমি হাসিমুখে সবার ছবি তুলবো । সে ছবি পত্রিকায়ও ছাপা হবে ।
আর আসবে আমাদের বড় প্রতিবেশি দেশ ইনডিয়ার সাহায্যের কথা । আমরা ধরেই নিতে পারি সেদিনও ইন্ডিয়া থেকে অনেকেই এসে আমাদের দেশ থেকে পুরুস্কার নেবেন আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের ‘বিরাট অবদানের’ জন্য !
সাহায্য না করলে কি আর এখন তাদের ফেনসিডিল এদেশে বেচতে পারতো ? আমাদের ছেলে মেয়েদের ফেনসিডিল খাইয়ে বুঁদ করে রাখতে পারতো ? টন কি টন গাঁজা এদেশে রপ্তানি করতে পারতো ? হিন্দি সিনেমা দেখিয়ে এদেশের ছেলেমেয়েদের নষ্ট করতে পারতো ? ইন্ডিয়ার সবগুলো টিভি চ্যানেল এদেশে চালাতে পারতো ? মুখে মাখার কৃম থেকে মটর সাইকেল, সিএনজি অটো রিকশা, টাটা, অশোক ল্যালেন্ড গাড়ি সহ প্রায় সবকিছুই ১৬ কোটি লোকের বিশাল বাজারে বিক্রি করতে পারতো । ছাত্র জীবনে আমরা CDI,YAHAMA, SUZUKI,KAWASAKI এসব জাপানি মটর বাইক চালাতাম । এখন হারিকেন জ্বালিয়ে খুঁজলেও এসব বাইক পাওয়া যাবে না । Pulsar, Discover, Hero বাইক ই এদেশে পাওয়া যায় ।
ধরে নিলাম ইন্ডিয়া আমাদের যুদ্ধের সময় খুবই উপকার করেছিলো । কিন্তু বছরের পর বছর কি তা মনে করিয়ে দিতে হবে ? অতি উপকারী বন্ধুও যদি উপকৃতের সামনে সব সময় বারফট্টাই করে, তা হলে এক সময় উপকারীর প্রতিও ঘৃনা জন্মে যায় । পরোপকার তখনই মহৎ,যখন তার মধ্যে বিনয় থাকে এবং আত্মপ্রসাদের অভিসন্ধি থাকে না।
এর আট দিন পরই স্বাধীনতা দিবস । সেদিনও আলোচনা সভায় মাওলানা ভাসানী,
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
তাজউদ্দীন আহমেদ, বীর উত্তম-জেড ফোরস কমান্ডার- স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের নাম কেউ ভুল করেও উচ্চারণ করবে না এটা জানা কথা ।
আমি নিজে
১৯৭১ সালে রেডিওতে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শুনেছিলাম । একবার নয়,
কয়েকবার । শুধু আমি না । দেশের কোটি কোটি মানুষ শোনেছিলো । তখন সাড়ে সাত
কোটি বাঙালীর সবাই শুনেছিলো । আর্থিক সুবিধা, ক্ষমতা, পুলিশি রিমান্ড আর
মামলার ভয়ে যারা জিয়ার ঘোষণা নিজ কানে শুনেছেন তারাও আজ খাঁটি মিথ্যাবাদীর
মতো তা অস্বীকার করেন । দেশের বর্তমান জনসংখ্যা যদি ১৬ কোটি হয় তবে সাড়ে আট
কোটি মানুষই জিয়াউর রহমানের ঘোষণা শুনেনি । তাদের জন্মই হয়নি তখন ।
তাদেরকে এখন আওয়ামী লীগ নেতারা যা বলে তাই তারা মুখস্ত করে । পুরোপুরি
গোয়েবলসিয় থিওরি আওয়ামী নেতারা অনুসরণ করছেন । আমাকে বলেতো কোন লাভ হবে না ।
আমি নিজ কানে শুনেছি স্বাধীনতার ঘোষণা । আর আসবে আমাদের বড় প্রতিবেশি দেশ ইনডিয়ার সাহায্যের কথা । আমরা ধরেই নিতে পারি সেদিনও ইন্ডিয়া থেকে অনেকেই এসে আমাদের দেশ থেকে পুরুস্কার নেবেন আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের ‘বিরাট অবদানের’ জন্য !
সাহায্য না করলে কি আর এখন তাদের ফেনসিডিল এদেশে বেচতে পারতো ? আমাদের ছেলে মেয়েদের ফেনসিডিল খাইয়ে বুঁদ করে রাখতে পারতো ? টন কি টন গাঁজা এদেশে রপ্তানি করতে পারতো ? হিন্দি সিনেমা দেখিয়ে এদেশের ছেলেমেয়েদের নষ্ট করতে পারতো ? ইন্ডিয়ার সবগুলো টিভি চ্যানেল এদেশে চালাতে পারতো ? মুখে মাখার কৃম থেকে মটর সাইকেল, সিএনজি অটো রিকশা, টাটা, অশোক ল্যালেন্ড গাড়ি সহ প্রায় সবকিছুই ১৬ কোটি লোকের বিশাল বাজারে বিক্রি করতে পারতো । ছাত্র জীবনে আমরা CDI,YAHAMA, SUZUKI,KAWASAKI এসব জাপানি মটর বাইক চালাতাম । এখন হারিকেন জ্বালিয়ে খুঁজলেও এসব বাইক পাওয়া যাবে না । Pulsar, Discover, Hero বাইক ই এদেশে পাওয়া যায় ।
ধরে নিলাম ইন্ডিয়া আমাদের যুদ্ধের সময় খুবই উপকার করেছিলো । কিন্তু বছরের পর বছর কি তা মনে করিয়ে দিতে হবে ? অতি উপকারী বন্ধুও যদি উপকৃতের সামনে সব সময় বারফট্টাই করে, তা হলে এক সময় উপকারীর প্রতিও ঘৃনা জন্মে যায় । পরোপকার তখনই মহৎ,যখন তার মধ্যে বিনয় থাকে এবং আত্মপ্রসাদের অভিসন্ধি থাকে না।
Comments
Post a Comment